সালাম কি ? সালামের ফজিলত কি ? Salam Ki? Salamer Fazilat Ki?

 

সালাম , সালামের ফজিলত কি, সালামের উত্তর কি, salam, salamer fazilat ki, salamer uttar ki,

সালাম কি?


ভূমিকাঃ সালাম মহান প্রভূর পক্ষ থেকে সর্বোত্তম অভিবাদন।পৃথিবীতে অনেক অভিবাদন রয়েছে যার তুলনায় সালাম- সেরা অভিবাদন।

সালামের অর্থঃ সালাম অর্থ শান্তি,নিরাপত্তা,নিরাপদ

 

সালামের সংজ্ঞাঃ একজন মুসলমান অপর মুসলমানের সাথে সাক্ষাতের সময় অভিবাদন হিসেবে যে আরবি বাক্য ব্যবহার করে সেটাই মুসলমানদের নিকট সালাম হিসেবে পরিচিত।

 

সালাম দেয়ার পদ্ধতি কি tআসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহ।বলে সালাম বিনিময় করতে হয়।

 

সালামের উত্তর কি t ওয়া আলাইকুম আসসালাম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু

বলে সালামের জবাব দিতে হয়।

 

সালাম প্রদানের হুকুমঃ সালাম দেয়া সুন্নাত।

 

ইমাম আবু হানিফা (রহঃ)বলেন-কাফের, মুশরিকদের সালাম দেয়া হারাম।

 

হাদীসে এসেছে -তোমরা ইয়াহুদী খ্রিস্টানদেরকে সালাম দিও না।

 

ইমাম শাফেয়ী (রহঃ) বলেন-কাফের,মুশরিকদের সালাম দেয়া হারাম নয়।বরং মাকরূহ

 

উল্লেখ্য, মুসলিম অমুসলিম একত্রে থাকলে আসসালামু আলা মানিত্তাবাল হুদা বলে সালাম দিবে।

 

নামাজ,কুরআন তিলাওয়াত,পানাহার,মলমূত্র ত্যাগ,যিকির-আযকার,ওয়াজ মাহফিলে মশগুল ব্যক্তিকে সালাম দেয়া মাকরূহ।

 

 

 

জবাব প্রদানের হুকুমঃ সালামের উত্তর দেয়া ওয়াজিব। যতটুকু স্বরে সালাম হবে জবাব ততটুকু স্বরে হওয়া সুন্নাত।

উল্লেখ্য, যেসব অবস্থায় সালাম প্রদান করা মাকরূহ সেসব অবস্হায় জবাব দেয়াও মাকরূহ।

 

সালামের ফজিলত সম্পর্কে বলতে গেলে সর্বপ্রথম সালাম প্রদানকারী ব্যক্তি দশ নেকি পান।আর যিনি সালামে উত্তর দিবেন তিনি নব্বই নেকি পান।প্রথমে সালাম প্রদানকারী অহংকার মুক্ত হন।

 

সালামের উপকারিতাঃ

 

  • সালামের মাধ্যমে অপরিচিত ব্যক্তির সাথে পরিচয় হয়।
  • সম্পর্ক সুদৃঢ় হয়। 
  • হিংসা বিদ্বষ দূর হয়।
  • বন্ধুত্ব সৃষ্টি হয়।
  • আল্লাহর রহমাত প্রত্যাশা কর যায়। 
  • ঈমান মজবুত হয়।
  • অশেষ সওয়াব পাওয়া যায়। 
  • সামাজিক ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি হয়। 
  • ভালবাসা বৃদ্ধি পায়। 
  • একের প্রতি অপরের বিশ্বাস বৃদ্ধি পায়।

 

সমাপনীঃআসুন আমরা চলাফেরা উঠা বসার সময় একজন মুসলমান আপর মুসলমানকে সালাম দিয়ে কল্যানের অধিকারী হয়।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ